ঋতু পরিবর্তন

নবম-দশম শ্রেণি (মাধ্যমিক) - ভূগোল ও পরিবেশ - মহাবিশ্ব ও আমাদের পৃথিবী | NCTB BOOK
831
Summary

তাপমাত্রার পার্থক্য অনুসারে সারাবছরকে চারটি ঋতুতে বিভক্ত করা হয়: গ্রীষ্মকাল, শরৎকাল, শীতকালবসন্তকাল

পৃথিবীকে উত্তর গোলার্ধ ও দক্ষিণ গোলার্ধে ভাগ করা হয়েছে।

  • উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল হলে দক্ষিণ গোলার্ধে শীতকাল থাকে।
  • উত্তর গোলার্ধে শীতকাল হলে দক্ষিণ গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল হয়।
  • উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল হলে দক্ষিণ গোলার্ধে শরৎকাল থাকে।
  • উত্তর গোলার্ধে শরৎকাল হলে দক্ষিণ গোলার্ধে বসন্তকাল হয়।

বাংলাদেশ উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত, যেখানে জুন মাসের দিকে গরম বেড়ে যায় এবং দক্ষিণ গোলার্ধে তখন শীতকাল চলে।

তাপমাত্রার পার্থক্য অনুসারে সারাবছরকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়। এ প্রতিটি ভাগকে এক একটি ঋতু বলে। তাপমাত্রার পার্থক্য অনুসারে সারাবছরকে চারটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হলো— গ্রীষ্মকাল, শরৎকাল, শীতকাল ও বসন্তকাল। আমরা জানি, সমগ্র পৃথিবীকে দুটো গোলার্ধে ভাগ করা হয়েছে। নিরক্ষরেখার উপরের দিকের অংশকে উত্তর গোলার্ধ এবং নিচের দিকের অংশকে দক্ষিণ গোলার্ধ ধরা হয়। উত্তর গোলার্ধে যখন গ্রীষ্মকাল দক্ষিণ গোলার্ধে তখন শীতকাল। আবার উত্তর গোলার্ধে যখন শীতকাল দক্ষিণ গোলার্ধে তখন গ্রীষ্মকাল। তেমনি উত্তর গোলার্ধে যখন বসন্তকাল দক্ষিণ গোলার্ধে তখন শরৎকাল। আবার উত্তর গোলার্ধে যখন শরৎকাল দক্ষিণ গোলার্ধে তখন বসন্তকাল। বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান উত্তর গোলার্ধে। এখানে জুন মাসের দিকে গরম বেশি অনুভূত হয়। এই সময়ে দক্ষিণ গোলার্ধে শীতকাল।

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...